ভোলায় পন্টুনে অবস্থানরত লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে দুই যাত্রী আহত

ভোলায় পন্টুনে অবস্থানরত ঢাকামুখী এমভি তরঙ্গ-৭ নামে একটি লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে পন্টুনে থাকা দুই যাত্রী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় লঞ্চটিকে আটক করেছে নৌপুলিশ।
বিজ্ঞাপন
আহতরা হলেন, ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মো.ইউসুফের ছেলে নুরউদ্দিন (৩২) ও রাজাপুর ইউনিয়নের সুদের হাট গ্রামের মাজন আলীর ছেলে মো. নুরনবী (৩৭)।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
নৌপুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের নিয়ে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে যাত্রী নিচ্ছিল ঘাটে অবস্থানরত এমভি তরঙ্গ-৭ নামের লঞ্চটি। অতিরিক্ত বাতাস ও স্রোতের কারণে ঘাটে থাকা অপর আরেকটি লঞ্চের সাথে পাশাপাশি ধাক্কা লাগার এক পর্যায়ে পন্টুনে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা তরঙ্গ লঞ্চটির দড়ি ছিঁড়ে দুই মাথা দুইদিকে যায় এবং দড়ির দুইমাথা পন্টুনে থাকা দুই যাত্রীকে সরাসরি আঘাত করে। এতে পন্টুনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী নুরুদ্দিনের পা ভেঙে যায় অপর যাত্রীও আঘাত পেয়ে আহত হন। পরে তাদের মধ্যে নুরউদ্দিনকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল রেফার্ড করা হয়।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে এ বিষয়ে ভোলা সদর ইলিশা নৌথানা পুলিশের ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ ঘটনার পরপরই আমরা তরঙ্গ-৭ লঞ্চটিকে আটক করেছি। বর্তমানে আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তবে লঞ্চ সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা যায়নি তারা আত্নগোপনে। এ ঘটনায় তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
খাইরুল ইসলাম/আরকে