বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাটে হেলমেট-লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেলে মিলবে না তেল

অ+
অ-
জয়পুরহাটে হেলমেট-লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেলে মিলবে না তেল

জয়পুরহাট জেলার পেট্রোল পাম্পগুলো এখন থেকে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং চালকের হেলমেট না থাকলে পেট্রোল বা অকটেন সরবরাহ করা হবে না।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে জ্বালানি তেল পাম্প মালিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আল-মামুন মিয়া এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন।

সভায় জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া বলেন, কোনো গাড়ির রেজিস্ট্রেশন না থাকলে সেটি রাস্তায় চলাচলের অনুমতিপ্রাপ্ত নয়। আর যিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হবেন না, তার তো কোনোভাবেই গাড়ি চালানোর অনুমতি নেই। এই দুইটি বিষয় সরাসরি আইনের বিরুদ্ধে, সেজন্য এই ধরনের গাড়িতে তেল দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা পাম্পগুলোতেও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করব।

তিনি বলেন, তেলের পাম্প থেকে বাধ্যতামূলক ভাউচার দিতে হবে। কেউ এক লিটার তেল নিলে তাকেও ভাউচার দিতে হবে। সেখানে ক্রেতার মোবাইল নম্বর যুক্ত করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন মেনে চলতে হবে। জারকিনে তেলের জন্য ইউএনও প্রত্যয়ন দেবেন। পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ গাড়ি কম ব্যবহার করে শেয়ার করে গাড়ি ব্যবহারে চেষ্টা করতে হবে। পাম্প মালিকরা কালোবাজারী বা কোনোরকম অনিয়ম করলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। পুলিশও বিভিন্ন পয়েন্ট চেক পোস্ট বসাবেন।

বিজ্ঞাপন

এদিন দুপুর সোয়া ১২টা থেকে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা এ সভায় মেসার্স এম.আর ফিলিং স্টেশনের মালিক আবুল খায়ের গোলাম মওলা, মেসার্স উদয়ন ফিলিং স্টেশনের মালিক রওনকুল ইসলাম চৌধুরী, মেসার্স তুষার ফিলিং স্টেশনের তুষার ইসলাম, মেসার্স আক্কেলপুর ফিলিং স্টেশনের বজলুর রশিদ মন্টুসহ কয়েকটি পাম্পের মালিক তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

এসময় পাম্প মালিকরা জানান, ডিপো থেকে ধারণ ক্ষমতা অনুয়ায়ী তেলের গাড়িতে কম তেল দেওয়া হচ্ছে। চাহিদা মতো তেল পাওয়া পাচ্ছে না। তাছাড়া পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি করেন তারা। অনেক মোটরসাইকেল চালকরা একবার তেল নিয়ে একটু ঘুরে এসে আবার তেল নিচ্ছে। আগে যারা একশ টাকার তেল নিয়ে চলতো, এখন তারা বেশি তেলের চাহিদা করছে। তাছাড়া প্যাক পয়েন্ট (খোলা বাজার) থেকেও তেল দেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ সভায় আরও বক্তব্য দেন, পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাইমেনা শারমীন, জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের কোয়ার্টার মাস্টার মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের কমান্ড্যান্ট নজরুল ইসলাম, জয়পুরহাট বিআরটিএ অফিসের মোটরযান পরিদর্শক রাম কৃষ্ণ পোদ্দার প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

চম্পক কুমার/এসএইচএ 

বিজ্ঞাপন