বিজ্ঞাপন

বঙ্গোপসাগরে জালে ধরা পড়ল ২০ মণ ওজনের বিরল মাছ, ৫ লাখ টাকায় বিক্রি

অ+
অ-
বঙ্গোপসাগরে জালে ধরা পড়ল ২০ মণ ওজনের বিরল মাছ, ৫ লাখ টাকায় বিক্রি

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার জেলেদের জালে বঙ্গোপসাগর উপকূলে ধরা পড়েছে ২০ মণ ওজনের একটি বিরল ‘খটক মাছ’।  যা স্থানীয়ভাবে ‘করাতি হাঙর’ নামে পরিচিত। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে উপজেলার আমুয়া মৎস্য বন্দরে মাছটি আনা হলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়।

‎জেলেরা জানান, সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এই বড় মাছটি ধরা পড়ে। শেষে একটি ট্রলার ভোরে বন্দরে ভিড়লে জাল থেকে বিশাল আকৃতির মাছটি তোলা হয়। দূর থেকে অনেকেই মাছটিকে অচেনা কিছু মনে করলেও পরে কাছে গিয়ে করাতের মতো লম্বা মুখ দেখে এটি খটক মাছ বলে নিশ্চিত হন।

বিজ্ঞাপন

‎ডাঙায় তোলার পর মাছটির আকার দেখে বন্দরে ভিড় জমে যায়। স্থানীয়দের অনেকে জানান, এত বড় খটক মাছ তারা আগে দেখেননি। শিশুদের মধ্যে যেমন কৌতূহল ছিল, তেমনি বড়দের মধ্যেও বিস্ময় লক্ষ্য করা গেছে।

‎জেলেরা জানান, গভীর সমুদ্রে এমন মাছ ধরা সহজ নয়। দীর্ঘ সময় জাল ফেলেও অনেক সময় খালি হাতে ফিরতে হয়। তবে হঠাৎ করে এ ধরনের বড় মাছ ধরা পড়লে পুরো অভিযানের খরচ উঠে আসে, লাভ হয় ভালো এবং জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

‎প্রথমে আমুয়া মৎস্য বন্দরে মাছটি নিলামে তোলা হলে স্থানীয় আড়তদার আব্দুল হাই সরদার আড়াই লাখ টাকায় এটি কিনে নেন। পরে বেশি দামে বিক্রির আশায় মাছটি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় নিয়ে যান। সেখানে মঠবাড়িয়ার বাজারে মোস্তফা কামাল ও হোসেন শরিফ মাছটি ৫ লাখ টাকায় কিনে নেন। পরে মাছটি কেটে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হয়।

‎জেলে সাগর হাওলাদার বলেন, গভীর সমুদ্রে অনেক কষ্ট করে মাছ ধরি। সব সময় এমন বড় মাছ পাওয়া যায় না। তবে এই মাছটা ধরা পড়ায় আমাদের অনেকটা লাভ হয়েছে।

‎আমুয়া বন্দরের আব্দুল হাই সরদার বলেন,  এত বড় খটক মাছ খুব একটা পাওয়া যায় না। তাই ঝুঁকি নিয়েই কিনেছি। ভালো দামে বিক্রি করতে পেরেছি। মাছটির চাহিদা থাকায় কিনেছিলাম। পরে শুনেছি কেটে খুচরা বিক্রি করায় ভালো সাড়া পড়েছে।

শাহীন আলম/আরএআর

বিজ্ঞাপন