ভোলার দৌলতখান উপজেলায় ১২ বছরের এক শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় অভিযান চালিয়ে দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) ভোরেএ দিকে উপজেলার মেদুয়া ও চরপাতা এলাকা থেকে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দৌলতখানের মেদুয়া ইউনিয়নের মো.ইব্রাহীম ও চরপাতা ইউনিয়নের মো. ফারুক। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের লেজপাতা গ্রামের দীঘির পাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এদিন দিনগত রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করান প্রতিবেশীরা।
ভুক্তভোগী শিশু, তার পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা মা দিনমজুরের কাজে যাওয়ায় সে একাই বাড়িতে ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে ভুক্তভোগী শিশুটিসহ ৪ শিশু তাদের বাড়ির সামনে দোকানের দিকে যাচ্ছিল। এসময় রাস্তার পাশের পুকুরের মাটি কাটছিল আসামিরা। এসময় শিশুদের আসতে দেখে ধাওয়া করে ভুক্তভোগীকে জোরপূর্বক পাশের বাগানে নিয়ে যায় তারা এবং সেখানে তাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেন। পরে শিশুটি পাশের বাড়িতে এসে অস্বাভাবিক আচারণ করে পুকুরে পড়ে যায়। এরপর ওই বাড়ির নারীরা তাকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাস করলে সে তাদের ঘটনার বর্ণানা দেয়। পরে তার পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয়রা মিলে রাতে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা গত শুক্রবার রাতে বাদী হয়ে দৌলতখান থানায় ওই দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
খাইরুল ইসলাম/এসএইচএ
