বিজ্ঞাপন

ঈদের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া

অ+
অ-
ঈদের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া

ঈদের আগে ও পরের সময়কে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে সিএনজিযোগে নির্ধারিত ভাড়া 'ঈদ বোনাস' দাবিতে অতিরিক্ত নেওয়া হয়। স্থানভেদে ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্তও বেশি নেওয়া হয়। 

বিজ্ঞাপন

তবে ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাড়ানো সিএনজি ভাড়া দুই সপ্তাহ পার হলেও এখনও কমেনি। সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঈদকে সামনে রেখে ‘ঈদ বোনাস’ দেখিয়ে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা ভাড়া বাড়িয়ে দেন, যা ঈদ পার হলেও বহাল রয়েছে। জামতৈল থেকে সিরাজগঞ্জ শহর রুটে আগে যেখানে ভাড়া ছিল ৩০ টাকা, সেখানে এখনও ৪০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

বিষয়টি যাচাই করতে ঢাকা পোস্টের এই প্রতিবেদক গত শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ও শনিবার (৪ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জ শহর থেকে সিএনজিযোগে জামতৈল যাতায়াত করেন। প্রতিবারই নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ১০ টাকা বেশি নিয়ে ৪০ টাকা আদায় করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৌহিদুর রহমান। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, তিনজন এর ভাড়া ৯০ টাকা হওয়ার কথা, তবে ভাড়া নেওয়া হলো ১২০ টাকা। দেখার আসলে কেউ নেই। তাদের ঈদ এখনও ফুরোয়নি।

কলেজশিক্ষার্থী রেজওয়ান খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি প্রতিদিন জামতৈল থেকে সিরাজগঞ্জে কলেজ যাই। এতদিন ৩০ টাকা করে যাওয়া-আসা ৬০ টাকা হলেও, এখন লাগছে ৮০ টাকা।

অভিযোগের বিষয়ে সিএনজি চালকদের কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চালক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাড়া ১০ টাকা বেশি নিয়ে ৪০ টাকা করেছি। ঈদের আগে থেকে এটি নেওয়া হচ্ছে। আর কমানো হবে না।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে কামারখন্দ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল্লা আল মামুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ বিষয়ে এর আগেও এক সাংবাদিক বলেছিলেন। আমি তার কাছে সিএনজি মালিক সমিতির কারও নম্বর চেয়েছি। জ্বালানি তেলের দাম বাড়েনি, তাই অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া অযৌক্তিক। যদি মালিক সমিতি যৌক্তিক কারণ না দেখাতে পারে, তাহলে আমরা মোবাইল কোর্টে যাব।

নাজমুল হাসান/এসএইচএ