যশোরে এক আইনজীবীর চেম্বারে বাল্যবিয়ের সময় কিশোর-কিশোরীসহ তিনজনকে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৬ এপ্রিল) যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির দুই নম্বর ভবনের দ্বিতীয়তলায় অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমানের চেম্বারে এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় আইনজীবী মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাওমীদ হাসান পরে আটক তিনজনকে ডিসি অফিস কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে ছেলে-মেয়ের পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে তাদের জিম্মায় দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১০টার দিকে ১৭ বছরের বর এক বন্ধুর সঙ্গে করে আইনজীবী সমিতির দুই নম্বর ভবনে যান। বউ হিসেবে স্কুলড্রেস পরা এক কিশোরীকে (১৫) আনা হয়। একপর্যায় আইনজীবী মিজানুর রহমান কাজী ডেকে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বিয়ে শেষ হওয়া মাত্রই ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে হানা দেয়। এ সময় কৌশলে পালিয়ে যান কাজী ও অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান। পরে বর, কনে ও বরের বন্ধুকে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাওমীদ হাসান পরবর্তীতে বর ও কনের পরিবারকে হাজির করান। দুই পক্ষের সাথে কথা বলে একপর্যায়ে ছেলের বয়স ২১ বছর ও মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত দুজনকে নিজ নিজ পরিবারের সাথে থাকার শর্তে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে আইনজীবী মিজানুর রহমান বলেন, আমি কিছুই জানি না। ঘটনার সময় একটি মামলা নিয়ে আদালতে ছিলাম। ওই ছেলে-মেয়েকে চিনি না। তারা কেন আমার নাম বললো জানি না।
রেজওয়ান বাপ্পী/এমএএস
