বিজ্ঞাপন

শ্রমিকদের সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করল পুলিশ

অ+
অ-
শ্রমিকদের সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করল পুলিশ

বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধকারী নাসা গ্রুপের শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে এখনো মহাসড়কের পাশেই অবস্থান করছেন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে অবরোধকারী শ্রমিকদের ওপর বলপ্রয়োগ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার আলোচনা করে মহাসড়ক ত্যাগ করতে অনুরোধ করে পুলিশ। 

পুলিশের কঠোর অবস্থানের পর শ্রমিকরা মহাসড়ক ত্যাগ করায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় মহাসড়কের উভয় লেনে যান চলাচল করতে দেখা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে কুমিল্লা ইপিজেডের নাসা গ্রুপের শতাধিক শ্রমিক। ৫ মাসের বকেয়া বেতন রেখেই শত শত শ্রমিককে পথে বসিয়ে বন্ধ হয়ে যায় কুমিল্লা ইপিজেডের নাসা গ্রুপের ৫টি প্রতিষ্ঠান। এতে বেকার হয়ে পড়েন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা। দীর্ঘদিন তাদের ৫ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করছে না গ্রুপটি। 

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার সকালে মিছিল নিয়ে কুমিল্লা ইপিজেড থেকে শত শত শ্রমিক কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অবরোধ করে রাখার ফলে মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। বেলা সোয়া ১১টা থেকে জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরে যেতে অনুরোধ করেন। শ্রমিকরা না শুনলে বলপ্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

পুলিশের বলপ্রয়োগের পর মহাসড়ক ত্যাগ করে মহাসড়কের পাশেই অবস্থান নেন শ্রমিকরা। আবার যে কোনো সময় মহাসড়কে উঠে অবরোধ করবার আশঙ্কা রয়েছে।

ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মমিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, মহাসড়ক অবরোধের পর আমরা শ্রমিকদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলেছি। তাদের মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তীব্র গরমে দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়া মানুষদের কষ্টের কথা অনুভব করতে বলি। কিন্তু তারা তাতে কর্নপাত না করায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সামান্য বলপ্রয়োগ করে তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত আছে।

বিজ্ঞাপন

আরিফ আজগর/আরকে

বিজ্ঞাপন