সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় রফিনগর ও সাদিরপুর গ্রামে পৃথক সংঘর্ষে ২ জন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে রফিনগর ইউনিয়নের এই দুই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আহাদ নুরের বাবা আব্দুল হামিদ (৬০), আবু সুফিয়ান (২৬), রুবেল মিয়া (৪০) ও মোফাজ্জল হোসেন (৪২)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে সাদিরপুর গ্রামের মোশাহিদ মিয়ার ধান শুকানোর খলার ওপর দিয়ে একই গ্রামের হোসাইন আহমেদের লোকজন ট্রলি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে টেঁটার আঘাতে মোশাহিদ মিয়ার পক্ষের আব্দুল হামিদের ছেলে আহাদ নুর (২৭) গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, একই সময়ে রফিনগর গ্রামে একটি রাজহাঁস খাওয়াকে কেন্দ্র করে আশরাফ উদ্দিন ও শফিক মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে আরেকটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আশরাফ উদ্দিনের পক্ষের গিয়াস উদ্দিন (৬০) নিহত হন। তিনি মৃত তাহের আলীর ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আবুল নছর (৫৫), আলী হায়দার (২০) ও শিবির আহমদ (৩০)।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, রফিনগর ও সাদিরপুর গ্রামে পৃথক সংঘর্ষে ২ জন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।
তামিম রায়হান/আরকে
