শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চললেও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে সকাল থেকেই ভোটাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে প্রথম দেড় ঘণ্টায় শহরের বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন-সংশ্লিষ্টরা।
সকালে বগুড়া জিলা স্কুল, প্রি-ক্যাডেট হাই স্কুল, বগুড়া সেন্ট্রাল হাই স্কুল, সূত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সেউজগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাসনাজাহান উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, কেন্দ্রের সামনে দলীয় কর্মীদের ভিড় থাকলেও সাধারণ ভোটারদের দীর্ঘ সারি চোখে পড়েনি। অধিকাংশ কেন্দ্রে ১০ থেকে ৩০ জনের ছোট ছোট লাইনে সীমাবদ্ধ ছিল ভোটার উপস্থিতি। তবে গ্রামাঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারদের উপস্থিতি কিছুটা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম এক ঘণ্টায় অনেক কেন্দ্রে প্রায় শতাধিক ভোট পড়েছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত গড়ে ভোট পড়েছে প্রায় ৭.২৩ শতাংশ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় ভোটারদের আগ্রহ কিছুটা কম বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু রাখতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। বিজিবি সদস্যরা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন। ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিশেষ নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি আজিজুল হক কলেজের পুরাতন ভবন, ভাণ্ডারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও করোনেশন ইনস্টিটিউশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ উল্লেখযোগ্য।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রার্থী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থীসহ মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বিজ্ঞাপন
বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। তবে সকালের ধীরগতির চিত্র দিনশেষে কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
আব্দুল মোমিন/আরকে
