প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রতিশ্রুতি যা বলা হবে সেগুলো বাস্তবায়িত হবে। কথা মালার কোন সুযোগ নাই। আমাদের ইশতেহারে যতগুলো প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে। সবার জন্য এই সেবা উন্নয়নশীল কোনো দেশে এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। এটা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, পৃথিবীর ক্ষেত্রে নতুন একটা ঐতিহ্য, ধারা চালু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা এলাকার কৃষকদের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের কোনো সরকার এ পর্যন্ত ভোটের চিহ্ন মুছে যাওয়ার আগে এতগুলো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেনি। এতগুলো জনকল্যাণমুখী কোনো সরকার এ পর্যন্ত করেনি। আমরা সংহতি ও সহমর্মিতার আলোকে সকল ধর্মের মানুষকে শ্রদ্ধা জানিয়েছি। তার কারণে আমরা ইমাম, মুয়াজ্জিম, পুরোহিত, বুদ্ধ সবাইকে সম্মান জানিয়েছি। তাদেরকে ভাতা দেইনি, সম্মানি দিয়েছি।
জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
বিজ্ঞাপন
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, প্রি-পাইলটিং প্রোগামের মধ্যে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা এলাকার ১ হাজার ৩৬ জন কৃষকের তালিকা করা হয়েছে। কৃষকরা যে নানা ধরনের প্রতারণার শিকার হন, বৈষম্যের শিকার হন এটা আর হবে না। আমি মনে করি, কৃষকদের ক্ষেত্রে এটা একটা বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কৃষকদের শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনা এবং তাদের অনুকূল পরিবেশে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতেই এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এই কার্ডের বিনিময়ে তারা ১০টি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, মোট ১ হাজর ৩৬ জন কৃষককে কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। উদ্বোধনী দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ জনের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের আগামী এক-দুইদিনের মধ্যে দেওয়া সম্পন্ন করা হবে।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কামরুল আলম, সাবেক আহ্বায়ক নঈম আনসারী, গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দিন শেখ, সাবেক সভাপতি সুলতান-নূর ইসলাম মুন্নু প্রমুখ।
বিজ্ঞাপন
মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/এসএইচএ
