গায়ের রং সাদা-কালো পাকরা, গলায় ঝুলছে সোনালী চেইন, আর চাহনিতেও যেন রাজকীয় গাম্ভীর্য। বিশাল আকৃতির এই ষাঁড়টিকে এক নজর দেখতে ভিড় করছেন হাটে আসা মানুষজন। তবে, আকার-আকৃতির পাশাপাশি নামের কারণেও আলোচনায় এসেছে ষাঁড়টি। মালিক শখ করে এর নাম রেখেছেন ‘মুসাফির’।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর পশুর হাটে দেখা মিলেছে ব্যতিক্রমধর্মী এই ষাঁড়টির।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দিনভর হাটজুড়ে গরুটি নিয়ে চলে আলোচনা। অনেকে ষাঁড়টির সঙ্গে ছবি তুলতেও ভিড় করেন।
ষাঁড়টির মালিক কামরুল ইসলাম জানান, তিনি ষাঁড়টি অন্য একটি হাট থেকে কিনেছিলেন। এরপর বিক্রির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পশুর হাটে নিয়ে ঘুরছেন। এক হাট থেকে আরেক হাটে ঘুরে বেড়ানোর কারণেই ষাঁড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘মুসাফির’।

তিনি বলেন, ষাঁড়টি খুব শান্ত স্বভাবের। হাটে আনলে মানুষ আগ্রহ নিয়ে দেখতে আসে। অনেকেই ছবি তোলে, আবার দামও জানতে চায়। তিনি ষাঁড়টির দাম হাঁকছেন ৫ লাখ টাকা।
হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, বর্তমানে বড় আকারের ও আকর্ষণীয় গরুর প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি। ‘মুসাফির’ তার আকার, রং ও সাজসজ্জার কারণে সহজেই সবার নজর কাড়ছে।
এদিকে ঈদ সামনে রেখে গজারিয়ার বিভিন্ন পশুর হাট জমে উঠতে শুরু করেছে। দেশীয় খামারিদের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা বড় বড় ষাঁড়েও সরগরম হয়ে উঠেছে হাটগুলো।
গজারিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রিগান মোল্লা বলেন, উপজেলায় এক হাজার ৩১২টি খামারে কোরবানির পশু পালন করা হচ্ছে। এছাড়া ছোট-বড় খামারের পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি গৃহস্থ বাড়িতেই ঈদ উপলক্ষ্যে গরু ও ছাগল পালন করা হয়।
ব. ম শামীম/এসএইচএ
