বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় জেলেদের জালে পেঁচিয়ে নদী থেকে একটি বড় যান্ত্রিক বস্তু উঠে এসেছে। তবে বস্তুটির সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রিক যন্ত্রাংশ দেখে মিসাইল অথবা বোমা সদৃশ কিছু ভেবে আতঙ্কিত স্থানীয় জেলে ও বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে ওই যান্ত্রিক বস্তুটিকে জব্দ করে থানায় নিয়ে এসেছে পুলিশ।
সোমবার (১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে পাথরঘাটা থানায় কর্মরত এসআই শোহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে (৩১ মে) সন্ধ্যার দিকে পাথরঘাটার দক্ষিণ চরদোয়ানী নামক এলাকার সাগর মোহনার বলেশ্বর নদী থেকে জেলেদের জালে ওই যান্ত্রিক বস্তুটি উঠে আসে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় সাগর মোহনায় পাথারঘাটার বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরছিলেন জেলেরা। পরে নদীতে ফেলা জাল টেনে তুলতেই জালে পেঁচিয়ে লাল ও হলুদ রঙের একটি যান্ত্রিক বস্তু ওঠে আসে। এ সময় বস্তুটির মধ্যে তারের সংযোগসহ বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ দেখে মিসাইল অথবা বোমা সদৃশ কোনো কিছু ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। তবে ঘটনাটি সন্ধ্যায় হওয়ায় তেমন কেউ না জানলেও খবর শুনে সকালে বস্তুটি দেখতে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বস্তুটিকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা মিসাইল অথবা বোমা সদৃশ বা যুদ্ধের কোনো যন্ত্রাংশ মনে করে পুলিশকে খবর দেন। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই যান্ত্রিক বস্তুটিকে জব্দ করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
মিরাজ হাওলাদার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, জালে পেঁচিয়ে মিসাইলের মতো একটি বস্তু উঠে এসেছে। জালে পেঁচিয়ে কিছু অংশ ভেঙেচুরে গেছে। এর সঙ্গে বোমার মতোও কিছু একটা ছিল। আমরা ভয়ে তা দূরে ফেলে দিয়েছি। কোনো দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে এ কারণে বিষয়টি আমরা পুলিশকে জানিয়েছি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পাথরঘাটা থানায় কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) শোহান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বস্তুটিকে জব্দ করে থানায় নিয়ে এসেছি। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, এটি একটি রেসিং বোর্ডের নিচে থাকা কোনো যন্ত্রাংশ হতে পারে।
আব্দুল আলীম/আরএআর
