ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির মালবীয় নগরে আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নুরুল আমিন সোহাগ (৪০) নামের কুমিল্লার এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে নিহতের স্বজন হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত নুরুল আমিন সোহাগ জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে।
নিহতের স্বজন হুমায়ূন কবির জানান, সোহাগ কয়েকদিন আগে তার ছোট বোনের সঙ্গে অসুস্থ ভগ্নিপতিকে নিয়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। তারা সবাই দিল্লির মালবীয় এলাকায় বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট নামক একটি হোটেলে উঠেছিলেন।
গত বুধবার (৪ জুন) হোটেলটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৮ বাংলাদেশি দগ্ধ হন। সোহাগ, তার ছোট বোন ও ভগ্নিপতি মারাত্মকভাবে অগ্নিদগ্ধ হন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সোহাগের মৃত্যু হয়। তার বোন ও ভগ্নিপতির অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এর আগে গত বুধবার সকালে মালবিয়া নগরীর ওই পাঁচতলা হোটেলটিতে আগুন লাগে। এ ঘটনায় আহত আট বাংলাদেশির মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার আহত নুরুল আমিনের মৃত্যু হয়। রাতে ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন। এ নিয়ে আগুনে এক বাংলাদেশিসহ মোট ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আরিফ আজগর/আরকে
