লালমনিরহাটে ধরলা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আপন দুই ভাইয়ে মধ্যে ৪০ ঘণ্টা পর ছোট ভাইয়ের মরদেহ ভেসে উঠল কুড়িগ্রাম এলাকায়। এরআগে ২৮ ঘণ্টা পর বড় ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার কাঁঠাল বাড়ি এলাকায় কলা খাওয়া বাশলি ঘাটে তার মরদেহ ভেসে উঠে।
এর আগে রোববার দুপুরে ওই এলাকায় ধরলা নদীতে গোসল করতে নেমে পাসিতে ডুবে নিখোঁজ হন আপন দুই ভাই।
তারা হলো- সদর উপজেলার মোগলহাট ট্যাম্পু স্টান্ড এলাকার হেলাল হোসেন সেলিনা দম্পতির ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র সাব্বির হোসেন ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সাওন হোসেন। তারা দুজনে স্থানীয় মোগলহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বন্ধু মেহেদিসহ ধরলা নদীতে গোসলে নামে দুই ভাই সাব্বির ও সাওন। গোসলের এক পর্যায়ে পানির গভীরে ডুবে নিখোঁজ হয় সাব্বির ও সাওন। বন্ধু মেহেদি তাদের উদ্ধারে চেষ্টা করে সেও ডুবে যায়। তীরে থাকা এক জেলে বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত নেমে মেহেদিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারে সক্ষম হলেও নিখোঁজ হয় আপন দুই ভাই সাব্বির ও সাওন।
খবর পেয়ে প্রথমে স্থানীয়রা ও মোগলহাট ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করে পরে অভিযানে যুক্ত হয় লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তাদের সন্ধান মেলাতে ব্যর্থ হলে বিকেলে রংপুরের ডুবুরি দল এসে অভিযান শুরু করে। রাতে অসমাপ্ত রেখে অভিযান স্থগিত করে। সোমবার পুনরায় দ্বিতীয় দিনের মত উদ্ধার অভিযান চালায় স্থানীয় ডুবুরি ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। বিকেলে হঠাৎ ২৮ ঘণ্টা পরে ভেসে উঠে বড় ভাই সাব্বিরের মরদেহ। ডুবে যাওয়ার ৪০ ঘণ্টা পর আজ মঙ্গলবার ভেসে উঠলো ছোট ভাই সাওনের মরদেহ।
লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রোকন উজ্জামান জানান, বড় ভাই সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ডুবে যাওয়ার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পরে কুড়িগ্রামের কাঠালবাড়ি কলা খাওয়া বাশলি ঘাট হতে শাওনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এসএইচএ
