মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম এলাকার ডহরি খালের প্রবেশমুখ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নৌ-পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি উচ্চগতির ইঞ্জিনচালিত নৌকা, দুটি ধারালো দা, ছয়টি মোবাইল ফোন, দুটি টর্চলাইট ও সাতটি কাঠের ডাসা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার ( ১৩ জুন) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মাবুদ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে মুক্তারপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আব্দুল মাবুদের নেতৃত্বে ধলেশ্বরী নদীতে নিয়মিত নৌ টহল চলছিল। সে সময় মিরকাদিম এলাকার ডহরি খালের প্রবেশমুখ ও ধলেশ্বরী নদীর মোহনা এলাকায় একটি নৌকার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে ১০ জনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের দেহ তল্লাশি ও নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাদ্দাম হোসেন (৩৮), বোরহান উদ্দিন (২৮), মো. রোমান (২৩), তারা মিয়া (৩৮), ইউনুস আলী (৩৮), ইসমাইল হোসেন (২৭), আব্দুর রহমান (২৭), সুলাইমান (৩৪), শরীফ হোসেন (৩২) ও মো. আরমান (২৩)।
পুলিশ জানায়, গত ৮ জুন গজারিয়া উপজেলার লস্করদী এলাকা থেকে ডাকাত দলের সর্দার মো. জাকির হোসেন ও তার সহযোগী মুক্তার ওরফে কালামুক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সিরাজদিখান উপজেলার বয়রাগাদি এলাকা থেকে সংঘবদ্ধ হয়ে ধলেশ্বরী নদীর বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করে আসছিলেন। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
আব্দুল মাবুদ বলেন, কয়েকদিন আগে গজারিয়ার লস্করদি থেকে দুজন নৌ ডাকাত গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ডাকাতদের তথ্যের ভিত্তিতে এই ১০ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ডাকাত সদস্যদের বাড়ি সিরাজদিখান উপজেলায়।
ব.ম শামীম/এসএইচএ
