গাইবান্ধায় পারিবারিকভাবে দুই পক্ষের সম্মতিতে বিয়ের কথা পাকাপাকি হওয়ার পর হবু বধূকে একাধিকবার ধর্ষণ করে উজ্জ্বল মিয়া (২৫) নামের এক যুবক। কিন্তু এ ঘটনার পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ধর্ষণ মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে সেই মামলায় অভিযুক্ত উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত ৬ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় ধর্ষণের মামলা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে সদর উপজেলার বেড়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত শাহিন মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ের কথা পাকাপোক্ত হয়। সেই সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত উজ্জ্বল তরুণীকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ গত ২৭ মে উজ্জ্বল তার নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
পরবর্তীতে নানা বাহানায় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় ওই যুবক। পরে এ ঘটনায় ৭ জুন ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মা বাদী হয়ে ওই যুবককে একমাত্র আসামি করে গাইবান্ধা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (ধর্ষণ) একটি মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, মামলার পর গ্রেপ্তার এড়াতে গা ঢাকা দেয় আসামি উজ্জল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদরের লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে গোবিন্দপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করে গাইবান্ধার র্যাব-১৩। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আসামিকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই ঘটনায় ৭ জুন একটি মামলা হয়। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয় অভিযুক্তকে। র্যাব আসামিকে গ্রেপ্তার করে আমাদেরকে দেয়। পরে আমরা আদালতে পাঠিয়েছি।
মাসুম বিল্লাহ/আরকে
