বিজ্ঞাপন

টেন্ডারের কাজ পড়ে থাকায় ক্ষুব্ধ মন্ত্রী, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

টেন্ডারের কাজ পড়ে থাকায় ক্ষুব্ধ মন্ত্রী, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

মানিকগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সেন) মো. আজিজ খানকে উদ্দেশ্য করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খান রিতা বলেন, আপনাকে নিয়ে আগাতে পারব না। আপনার যে কথাবার্তা, আপনার যে মেন্টালিটি, আপনি এই মানিকগঞ্জের জন্য কিছুই করতে পারবেন না। আপনি যে নেগেটিভ মাইন্ডে শুরু করেছেন; এই নেগেটিভ মাইন্ডের লোকদের কখনো পজিটিভ করা যায় না। সুতরাং এই ব্যাপারে আমার অ্যাকশন নিতে হবে।

রোববার (১৪ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসকে সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমি চাই ভালো লোক আসুক, ডাইনামিক লোক আসুক। যে সাহস নিয়ে কাজ করতে পারবে। সরকারি লোকদের তো চাকরি যাবার ভয় থাকে না, ম্যাক্সিমাম ওএসডি হয়। তাহলে তার কাজ করতে অসুবিধা কী? সরকারি লোকদের তো আরো অ্যাকটিভ হতে হবে। সরকারি লোক কেন অ্যাকটিভ হবে না? আমার জনগণের টাকায় আপনার বেতন হয়। আমার জনগণ সেবা পাবে না আর আপনারা নিশ্চিন্তে বসে কাজ করে যাবেন, তা হবে না। এটি আমরা কেউ মেনে নেব না।

জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানাকে উদ্দেশ্য করে বিমান মন্ত্রী বলেন, সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে টেন্ডার এর কাজগুলো সব পড়ে আছে। এটা অনেক বেশি খারাপ অবস্থায় আছে, যেখানে প্রতিটা মুহূর্তেই জনগণের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যারা সঠিক সময়ে কাজ শেষ করতে পারবে না তাদের ব্ল্যাক লিস্ট করে দিবেন।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সেন) মো. আজিজ খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, সরকার দলীয় লোকজন ঠিকাদারির সাথে জড়িত, আমি কি এখন তাদের সাথে পারব। মূলত সে (মন্ত্রী) আমাকে শক্ত হবার জন্য বলছে। এখানে সিস্টেমে যেতে হবে, এসেই তো কিছু করা যাবে না। এখন সব ভেবে চিনতে পা ফেলা লাগবে। মানুষ বলে পারব কিন্তু ২ বছর ধরে কেউ পারছে না। ২ বছর ধরে না পেরে ইঞ্জিনিয়ার একাধিকবার চেঞ্জ হয়েছে। গ্যাঞ্জাম লাগলে সবসময় লোকাল লোকদের পক্ষেই বেশি রায় দেয়। মন্ত্রী ম্যাডাম, ডিসি ম্যাডাম, প্রশাসক ম্যাডাম ঠিকাদারকে ডেকে নিয়ে বলছে, তাদের কথা শুনে না। এখানে আমি কতটুকু পারব? আমি একটু সত্যি কথা বলি তো, সত্যি কথা সবসময় বলা যায় না।

এসএইচএ