মুন্সীগঞ্জে মাইক্রোবাস উল্টে খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। সবশেষ মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসী লিটনের মা আলেয়া বেগম (৬০) মারা যান।
এর আগে, একই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান লিটনের স্ত্রী মমতাজ বেগম। এ ছাড়া, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তার চাচি শাশুড়ি ফরিদা বেগম।
নিহত মমতাজ বেগমের বাড়ি সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ইউনিয়নের নাহাপাড়া গ্রামে ও আলেয়া বেগমের বাড়ি মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরপাড়া গ্রামে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বজ্রযোগিনী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আনোয়ার হোসেন ইমরান। তিনি বলেন, লিটনের মা আলেয়া বেগম রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার চাচি শাশুড়ি ফরিদা বেগমের অবস্থাও ভালো না। তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন।
প্রবাসী লিটন বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টায় আমার দুবাই ফিরে যাওয়ার ফ্লাইট ছিল। বেলা সাড়ে ১১টার পর আমি দুই সন্তান, স্ত্রী, বোনসহ পরিবারের আটজনকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে রওনা হই। ড্রাইভারসহ আমরা ছিলাম ১০ জন। দ্রুতগতিতে আমাদের মাইক্রোবাসটি চলছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিরাজদিখানের বউবাজার এলাকায় আরেকটি মাইক্রোবাসকে সাইড দিতে গিয়ে উল্টে পাশের খালে পড়ে যাই আমরা। স্থানীয় বাসিন্দারা গাড়ি থেকে আমাদের বের করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আমার স্ত্রী মারা যান। পরে রাতে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার সময় আমার মা ও বোনসহ চাচি শাশুড়ি গুরুতর আহত হন। তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। রাতে স্ত্রীর দাফন না করতেই মায়ের মৃত্যুর খবর আসে।
ব. ম শামীম/এএমকে
