চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফেনী রেলস্টেশনে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে আটকা পড়েছেন অন্তত ৮০০ যাত্রী। এতে ভোগান্তিতে পড়েন নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ৮টা ২২ মিনিটের দিকে ট্রেনটি ফেনী জংশনে প্রবেশের সময় ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি ফেনী স্টেশনে পৌঁছানোর পর ইঞ্জিনের মোটরে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে ইঞ্জিনের মোটরে আগুনের আভাস পাওয়া গেলে ট্রেনটি স্টেশনের ডাউন লাইনে থামিয়ে রাখা হয়। দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় অনেক যাত্রী স্টেশনে নেমে বিকল্প পরিবহনের খোঁজ করেন।
লাকসাম থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রী এনামুল হক বলেন, সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ট্রেনে উঠেছি। ফেনীতে এসে আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বসে আছি। অনেক যাত্রী ট্রেন ছেড়ে সড়কপথে চলে যাচ্ছেন।
আরেক যাত্রী রাশেদা বেগম বলেন, এতক্ষণে চট্টগ্রামে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। দুই সন্তান নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এখানে আটকে পড়ে খুব ভোগান্তিতে পড়েছি।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে বিকল্প ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। সেটি ইতোমধ্যে ফৌজদারহাট অতিক্রম করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিন অপসারণের পর ট্রেনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া, ফেনী থেকে যেসব যাত্রীরা এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাদের কেউ কেউ টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তবে মেঘনা ট্রেনটি একটি লাইনে আটকে থাকলেও পাশের দুটি লাইন সচল থাকায় অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
তারেক চৌধুরী/এএমকে
