ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পন্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তার মরদেহ অসিয়ত করে যাওয়া স্থানে দাফন করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জলিল পন্ডিত মোট ৫টি বিয়ে করেন এবং তার ৫টি সংসারে মোট ১০ জন সন্তান রয়েছে। শনিবার ভোরে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর অসিয়ত মতে নির্ধারিত জমিতে তাকে সমাহিত করার জন্য কবর খোঁড়া শুরু হলে কবরের স্থান ও জমির ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে জলিল পন্ডিতের সন্তানদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।
সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পন্ডিত চতুর্থ সংসারের ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে। আর এতেই বাঁধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করলে এবং স্বজন ও আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে বাড়ির উঠানের এক কোণে দাফন করেন বৃদ্ধ জলিল পন্ডিতকে।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন,বর্তমানে জলিল পন্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছে। তার ১০ সন্তান। সন্তানদের মধ্যে মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করেছে। পরে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পাইনি।
খাইরুল ইসলাম/আরএআর
