কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গভীর রাতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে ঢুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
রোববার (২১ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়ারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক জাকির হোসেন (৪৫) দাঁতভাঙা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার গভীর রাতে জাকির হোসেন ওই এলাকার এক প্রবাসীর বাড়ির টিনের বেড়া ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারীর চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে আটক করেন। পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ভুক্তভোগী নারী জানান, জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার রাতেও তিনি জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জাকির হোসেন বলেন, কথা বলার জন্য আমাকে ডেকে নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রৌমারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাওছার আলী জানান, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মমিনুল ইসলাম বাবু/আরএআর
