বিজ্ঞাপন

ফরিদপুরে পুলিশ ও র‍্যাবের পাশাপাশি চলছে সেনা টহল

ফরিদপুরে পুলিশ ও র‍্যাবের পাশাপাশি চলছে সেনা টহল

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ঠেকাতে ফরিদপুরে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা দিতে তারা গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর পৌঁছেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকে ফরিদপুর শহর ও মহাসড়কে পুলিশ-র‍্যাবের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে টহল দিতে দেখা যায়।

তবে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখযোগ্য কোনো গ্রেপ্তারের ঘটনাও নেই। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ বা কোনো অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি বা তৎপরতা দেখা যায়নি। তবে গতকাল রাতে ছাত্রলীগ একটি কেক কাটা কর্মসূচি পালন করে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের স্বাভাবিক যে কার্যক্রম, তা অব্যাহত আছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট ও মহাসড়কে আমরা নজর রাখছি, যাতে কেউ সাধারণ মানুষের শান্তি-শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটাতে না পারে।

সেনাবাহিনী পুলিশকে সহযোগিতা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে অথবা আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয় করব।

সরেজমিনে দেখা যায়, ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, ভাঙ্গা রাস্তার মোড়, থানার মোড়, জনতার মোড়, ডিসি অফিস চত্বর, টেপাখোলা মোড়, বাইপাস সড়ক,আলীপুরসহ ও বিভিন্ন মহাসড়কে সকাল থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসব পয়েন্টে টহল দিচ্ছেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে ১৫ আরই ব্যাটালিয়নের ১২৫ জন সেনাসদস্য ফরিদপুরে মোতায়েন করা হয়েছে। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আজ ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে ছয়টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ফরিদপুরে সেনাসদস্যরা মাঠে কাজ করছেন।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুস্মিতা সাহা জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় এ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এ সময় সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

জহির হোসেন/আরকে

বিজ্ঞাপন