কুমিল্লায় সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল ও মেঘনা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাঙ্গলকোটের হাসানপুর স্টেশনে সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়। একই সময়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়।
লাকসাম জংশনের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এক ঘণ্টার বেশি সময় চট্টগ্রামের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। যে কোনো একটি লাইন সচল হলেই যোগাযোগ পুনরায় শুরু হবে।
এদিকে নাঙ্গলকোট রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার জামাল উদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুর স্টেশনের অদূরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে আপ লাইনে আটকা পড়ে।
সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকলের খবর পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ডাউন লাইন দিয়ে গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুরের দিকে যাওয়ার সময় মাঝপথে চার বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে দুই লাইনেই ট্রেন আটকা পড়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত ৯টা ২০ মিনিট) ট্রেন দুটিকে উদ্ধার করা যায়নি। ফলে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের বিকল ইঞ্জিন ও মেঘনা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এলেই কাজ শুরু হবে।
লাকসাম জংশনের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম থেকে সোনার বাংলা ট্রেনের সচল ইঞ্জিন রওনা হয়েছে এবং মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের চারটি বগি রেখে বাকি ট্রেন লাকসাম চলে আসছে। উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হলেই ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
আরিফ আজগর/আরএআর
