বিজ্ঞাপন

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলা

খালাস পেয়ে আরিফুল হক বললেন ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’

খালাস পেয়ে আরিফুল হক বললেন ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’

আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় খালাস পেয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্য বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের এই মামলায় আসামি করেছিল। মামলার এজাহারে আমাদের নাম ছিল না। পরে সম্পূরক চার্জশিটে আমাদের নাম ঢুকানো হয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি আমরা। আজ রায়ে সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় আমাকে একের পর এক মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন আমি কারাবন্দি ছিলাম।। যারা আমাকে হয়রানি ও নির্যান করেছিল তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আর আমরা খালাস পেয়েছি। আমি এই রায়ে সন্তুষ্ট। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

একই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছ। তিনি বলেন, এই মামলায় আমাকে বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি থাকতে হয়। আজকে রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক নেতা নিহত হন এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন। ওই ঘটনায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছিল বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়।

মামলার তদন্ত শেষে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সাবেক নেতা ও বর্তমান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। পরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মাসুদ আহমদ রনি/আরএআর

বিজ্ঞাপন