শরীয়তপুরের নাওডোবা এলাকায় চলন্ত নসিমনকে পেছন থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিলে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এ সময় ঢাকা থেকে নিজ জেলা যশোরে ফিরছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিরা সুলতানা।
চলতি পথে দুর্ঘটনার চিত্র তার চোখে পড়লে দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নিজ গাড়িতে হাসপাতালে চলে যান তিনি। পরে আহতদের মধ্যে এক নারীর মৃত্যু হয়। শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শেফালি বেগম (৪৫) শরিয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পাঁচড় গ্রামের সুলতান মাতুব্বরের স্ত্রী। আহতরা হলেন, একই গ্রামের রমজান মোল্লার স্ত্রী রওশনা বেগম, কামাল খানের স্ত্রী রুনা বেগম ও রমজান মোল্লার মেয়ে মোছা. জুঁই।
স্থানীয় লোকজন জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নছিমনটি শরিয়তপুরের নাওডোবা এলাকায় ঢাকাগামী ছিল। এ সময় একটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দিরে তারা ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। হঠাৎ সেখানে উপস্থিত হন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সাবিরা সুলতানা। পরে সেখান থেকে আহতদের উদ্ধার করে নিজ গাড়িতে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার তানসিভ জুবায়ের বলেন, একজন নারী সংসদ সদস্য সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিন নারীকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। এরমধ্যে শেফালি বেগম মারা যান।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম বলেন, একজন সংসদ সদস্য সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে নিজ গাড়িতে হাসপাতালে এনেছেন এমন সংবাদ শুনেছি। বাকি তথ্য হাইওয়ে পুলিশ দিতে পারবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যশোরের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সাবিরা সুলতানা বলেন, আমি আমার মানবিক দৃষ্টিকোণ ও দায়িত্ববোধ থেকে তা করেছি। এ সময় নিহত শেফালী বেগমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।
রেজওয়ান বাপ্পী/এএমকে
