বিজ্ঞাপন

কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলার ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ২ জন

কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলার ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ২ জন

নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় সহযোগিতাকারী অভিযুক্ত আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ জুন) সন্ধায় ও রাতে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নরসিংদী পৌর এলাকার কামারগাঁওয়ের আব্দুল আজিজের স্ত্রী শাহিনারা বেগম (৪০) ও নাগরিয়াকান্দী এলাকার হারুনূর রশিদের ছেলে রমজান আলী (২২)।

পুলিশ জানায়, নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দী এলাকায় সেতুর উপর থেকে জীবন্ত কুকুরের গলায় দড়ি দিয়ে ইট বেঁধে মেঘনা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী মামলা করেন। মামলার এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি রমজান আলীকে শহরের নাগরিয়াকান্দী ও অপর আসামি শাহিনারাকে ইউএমসি জুট মিলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত ২৫ জুন কামারগাঁও এলাকার আব্দুর রবের ছেলে মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এআরএম আল-মামুন জানান, কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। এ মামলায় আগে একজন ও আজ দুইজনসহ এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ জুন একটি জীবন্ত কুকুরের গলায় দড়ি দিয়ে ইট বেঁধে নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দিস্থ সেতুর ওপর হতে মেঘনার শাখা নদীতে নিক্ষেপের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেখা যায়, খালি গায়ে থাকা একজন লোক একটি কুকুরের গলায় রশি লাগিয়ে রশির অপর প্রান্তে ইট বেঁধে কুকুরটিকে ব্রিজের ওপর থেকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই নরসিংদী জেলা পুলিশের দৃষ্টিগোচর হয় এবং নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিডিওতে খালি গায়ে থাকা ব্যক্তি মোহাম্মদ আলীকে বৃহস্পতিবার নাগরিয়াকান্দি এলাকা হতে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে এনিমেল কমিউনিটি ওয়েলফেয়ার অব বাংলাদেশ নামক ফেইসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়। আটক যুবকসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরে সদর থানায় মামলা করা হয়।

আমিনুর রহমান সাদী/এসএইচএ