বিজ্ঞাপন

কারামুক্ত হলেন বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার ডা. সামির

কারামুক্ত হলেন বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার ডা. সামির

বগুড়ায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশু জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে বগুড়া জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানজীম আল মিজবাহ জানান, রোববার বগুড়া জেলা জজ আদালতে ডা. সামির হোসেনের জামিন আবেদনের শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক কৌশিক আহমেদ তার জামিন মঞ্জুর করেন। আজ সকালে বগুড়া জেলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলামও জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কারামুক্তির বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানাতে পারেননি।

গত ২৩ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সদরের মকটেল নামে একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে ডা. সামির হোসেনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে বগুড়া সদর থানায় দায়ের হওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। 

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মইনুদ্দিন সে সময় সাংবাদিকদের জানান, শেরপুর সদরের ওই রেস্তোরাঁয় এক চিকিৎসকের জন্মদিন উপলক্ষ্যে পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েছিলেন ডা. সামির হোসেন। খবর পেয়ে বিএনপির কিছু সমর্থক রেস্তোরাঁটির সামনে জড়ো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে বগুড়া সদর থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ডা. সামির হোসেন বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তাকে বাগেরহাট সরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলে (ম্যাটস) প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়।

প্রসঙ্গত, দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে পরিচিত।

আব্দুল মোমিন/আরএআর

বিজ্ঞাপন