বিজ্ঞাপন

ঝালকাঠিতে যুবলীগের আহ্বায়কসহ ৪ জন কারাগারে

ঝালকাঠিতে যুবলীগের আহ্বায়কসহ ৪ জন কারাগারে

ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঝালকাঠি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. রেজাউল করিম জাকিরসহ চারজনকে বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৯ জুন) তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির আহম্মেদ।

কারাগারে পাঠানো অন্য তিনজন হলেন- জেলা যুবলীগ সদস্য মো. মেহেদী হাসান মুন্না (২৯), জেলা যুবলীগের সদস্য শাহজাদা মহসিন পরাগ (৪৪) এবং রাজাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আহসান হাবিব রুবেল (৩৭)।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চারজনই পলাতক ছিলেন। গত ১৮ জুন রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন পিজি হাসপাতালের সামনে থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাদের আটক করে। পরে ঢাকার নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় তাদের ঝালকাঠি জেলা কারাগারে আনা হয়। আজ সোমবার আদালতে হাজির করে ঝালকাঠি সদর থানার বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আদালতে দাখিল করা পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউমার্কেট থানার হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আসামিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। ঘটনার পর তারা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তারের সময় তারা শাহবাগ এলাকায় নাশকতার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এসব তথ্য তুলে ধরে তদন্ত কর্মকর্তা তাদের জামিনের বিরোধিতা করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।

অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে আইনজীবী বনি আমিন বাকলাই জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে বিকেলে তাদের ঝালকাঠি জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক পুলক চন্দ্র রায় বলেন, ঝালকাঠি সদর থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলার ২০৫/২৪ জিআর মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান চারজনকে শোন এরেস্ট দেখানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে আইনজীবী বনি আমিন বাকলাই জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মো. শাহীন আলম/এসএইচএ