যশোরের ঝিকরগাছা থানার সেই বিতর্কিত এএসআই আজিজুল ইসলামকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) এক আদেশে তাকে বাগেরহাট জেলায় বদলি করা হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া।
গত ২৮ জুন ঢাকা পোস্টে ‘ওসির মধ্যস্থতায় ঘুষের আড়াই লাখ টাকা ফেরত পেলেন ভুক্তভোগীরা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে নড়েচড়ে বসে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। সেই মোতাবেক অভিযুক্ত এএসআই আজিজুলকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদে বলা হয়, ঝিকরগাছার বারবাকপুর গ্রামে দুধে ভেজাল আছে এমন অভিযোগ তুলে চার ঘোষকে চিলিং সেন্টারের একটি কক্ষে আটকে রাখেন এএসআই আজিজুল ইসলাম। পরে ঘুষ দাবি করেন ৫ লাখ টাকা। একপর্যায়ে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকায় রফা হয়। এরমধ্যে ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধ করলে ওই চার ঘোষের মুক্তি মেলে। বিষয়টি জানাজানি হলে সমঝোতা করেন থানার ওসি। পরে ঘুষের সব টাকা ফেরত দেন ওই এএসআই।
ভুক্তভোগীরা হলেন, উপজেলার বারবাকপুর ঘোষপাড়া গ্রামের মৃত গৌর চন্দ্র ঘোষের ছেলে তুষার ঘোষ, অশোক ঘোষ ও মিলন ঘোষ এবং তাদের ভাগনে উজ্জ্বল ঘোষ।
এএসআই আজিজুলের বদলির খবরে ভুক্তভোগী তুষার ঘোষ বলেন, জানেন তো আমরা দুর্বল মানুষ। ঘটনার পর থেকে আমরা আতঙ্কে ছিলাম। তার বদলির খবরে আমরা স্বস্তি পেয়েছি। তবে পুলিশের সোর্স কামাল হোসেন এখনও হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, যিনি এই অপরাধ করেছেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাগেরহাটে বদলি করা হয়েছে।
রেজওয়ান বাপ্পী/এসএইচএ
