বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মুকুল গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মুকুল গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার আলোচিত শিবির নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোকলেসুর রহমান মুকুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এ মামলায় পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

সোমবার (১ জুলাই) রাত ৯টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের একটি টিম। তবে, কোন যায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা সেখানে আসামি কীভাবে ছিলেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্যই জানাতে চায়নি তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি রাত সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম। তিনি বলেন, মুকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কোন যায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা বলতে রাজি হননি তিনি।

গ্রেপ্তার মোকলেসুর রহমান মুকুল সদ্য বহিষ্কৃত বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ওই ইউনিয়নের বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে।

নিহত সাইফুল্লাহ বারী বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়নের শিমুল তাইর গোরস্থানপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান মওলানার ছেলে ও রংপুর ধাপের সাতগড়া মডেল কামিল মাদরাসা তৃতীয় বর্ষের আল কুরআন বিভাগের ছাত্র ছিলেন।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বলেন, মূল আসামি মুকুলকে গ্রেপ্তারের অভিযানটি চলছে, অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না।

প্রসঙ্গত, গত ২১ জুন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বোনারপাড়া বাজারের চারমাথা চত্বরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিষয় নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে তর্ক বাধে। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় শিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী নিহত হন। একই সময় সাইফুল্লাহ বারীর বন্ধু সালাউদ্দিন গুরতর আহত হন। পরে স্বজনরা সাইফুল্লাহ বারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে একই সময়ে গুরুতর আহত সালাউদ্দিনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ চিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও শারীরিক পরিস্থির উন্নতি না হলে ২২ জুন রাতেই তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। তিনি একই ইউনিয়নের ফুটানি বাজার এলাকার দুদু মিয়ার ছেলে ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী।

এ হত্যার ঘটনায় পরদিন ২২ জুন রাতে সাঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত সাইফুল্লাহ বারীর বাবা হাবিবুর রহমান। মামলা নম্বর ২৩। মামলায় নামীয় আসামি ছয়জন এবং অজ্ঞানামা আসামি করা হয়েছে ১৪ থেকে ১৫ জনকে। ওই মামলার প্রধান আসামি মুকুল।

এএমকে