কুমিল্লায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় মো. খোকন (৫০) নামের এক বিএনপির কর্মীকে সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করেছে পুলিশ। পরে তাকে আটক করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে আদালতে তোলা হলে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কারাগারে পাঠানো খোকন ওরফে ল্যাংড়া খোকন জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর দুর্গাপুর গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত।
সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারে একটি বইয়ের দোকানের সামনে ফুটপাতে শুয়ে থাকা এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ করেন লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ খোকন নামের বিএনপির কর্মীকে শনাক্ত করে। গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) অভিযান চালিয়ে খোকনকে আটক করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন বাজারের নিরাপত্তায় নিয়োজিত এক কর্মী।
ওসি রকিবুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরালের পর খোকন গা ঢাকা দেন। পুলিশ কৌশলে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। বিজয়পুর বাজারের একজন নিরাপত্তা কর্মী বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। রোববার খোকনকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
বারপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সফিকুল ইসলাম বলেন, খোকন বিএনপির কোনো পদধারী নেতা নন, তবে তিনি দলের একজন কর্মী মাত্র। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরিফ আজগর/এসএইচএ
