বিজ্ঞাপন

জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল ২৫০ থেকে ৪০০ শয্যায় উন্নীত

জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল ২৫০ থেকে ৪০০ শয্যায় উন্নীত

জয়পুরহাট জেলাসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার পরিধি বিস্তৃত করতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে প্রথমে ৬০০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত হাসপাতালটিকে আপাতত ৪০০ শয্যায় উন্নীতকরণের চূড়ান্ত আর্থিক সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-২ থেকে জারি করা এক পত্রে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালকে ২৫০ শয্যা হতে ৪০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালুকরণে অর্থ বিভাগের সম্মতি জ্ঞাপন করা হয়েছে। 

অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শুক্লা সরকার স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বলা হয়েছে, শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির এই কার্যক্রম চালুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল বিধি-বিধান, আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন অবশ্যই পালন করতে হবে।

এর আগে হাসপাতালটির ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপ বিবেচনা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এটিকে ৬০০ শয্যায় উন্নীতকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। চলতি বছরের গত ২১ মে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই প্রশাসনিক অনুমোদন সংক্রান্ত সম্মতি জ্ঞাপন করেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, হাসপাতালটির ওপর জয়পুরহাট, নওগাঁ ও বগুড়া জেলার কিছু এলাকার লাখো মানুষ নির্ভরশীল। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এই হাসপাতালের শয্যা ব্যবহারের হার (বেড অকুপেন্সি রেট) ছিল ২৭০ দশমিক ৫৫ শতাংশ, যা স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি। রোগীর এই বিপুল চাপ সামাল দিতেই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হাসপাতালটিকে ৬০০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করেন এবং অর্থ বিভাগের আর্থিক সম্মতির জন্য চিঠি পাঠান। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৬০০ শয্যার প্রশাসনিক সম্মতির বিপরীতে অর্থ মন্ত্রণালয় ৪০০ শয্যার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা ৬০০ শয্যার প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম এবং মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদনও পেয়েছিলাম। বর্তমান পর্যায়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ৪০০ শয্যায় উন্নীতকরণের চূড়ান্ত সম্মতি পেয়েছি। তা আমাদের জন্য ইতিবাচক। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে হাসপাতালের শয্যা সংকট অনেকটাই কমে আসবে। আমরা পর্যায়ক্রমে ৪০০ শয্যার কার্যক্রম চালু করব এবং সেবার মান উন্নয়নে কাজ করে যাব।

চম্পক কুমার/আরএআর

বিজ্ঞাপন