বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের প্রবেশপথ থেকে নেমে গেছে পানি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের প্রবেশপথ থেকে নেমে গেছে পানি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক

টানা ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলেও রাতের দিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথ ও পার্কিং জোনের পানি নেমে গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কয়েক ঘণ্টার জলাবদ্ধতায় বিমানবন্দরে আসা-যাওয়া করা যাত্রী, স্বজন এবং যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত আটটার দিকে বিমানবন্দরের প্রবেশপথ ও পার্কিং জোন থেকে পানি কমতে শুরু করে। রাত নয়টার মধ্যে পুরো এলাকা জলমুক্ত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল ঢাকা পোস্টকে বলেন, সোমবার দুপুরের পর টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিল। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পানি দ্রুত নামতে পারেনি। তবে বিকেলের পর থেকে পানি কমতে শুরু করে। বর্তমানে বিমানবন্দরের প্রবেশপথ ও পার্কিং জোনে কোনো পানি নেই এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ঢাকা পোস্টের হাতে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, সোমবার বিকেলে হাঁটুসমান পানির মধ্যে দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন চলাচল করছে। পার্কিং এলাকায় থাকা অনেক গাড়ির চাকাও পানিতে ডুবে যায়।

সাইদুল ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, পানি জমে থাকায় গাড়ি থেকে নেমে টার্মিনাল ভবনে যেতে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। অনেককে লাগেজ নিয়ে পানির মধ্য দিয়েই হেঁটে যেতে হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে অস্বাভাবিকভাবে বিমানবন্দরের প্রবেশ সড়ক ও পার্কিং এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিকেলের বৃষ্টিতে পানি আরও বেড়ে যায়। পার্কিংয়ের পাশের দোকানগুলোতেও পানি ঢুকে পড়ে। এতে যাত্রীদের পাশাপাশি দোকানিরাও ভোগান্তিতে পড়েন।

তবে জলাবদ্ধতার কারণে বিমান ওঠানামার কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সব ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত ছিল।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পতেঙ্গা ও বিমানবন্দর এলাকায় ২০৬ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আরএমএন/এমটিআই

বিজ্ঞাপন