বিজ্ঞাপন

চুয়াডাঙ্গায় মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে গেল স্কুলছাত্র, ১০ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গায় মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে গেল স্কুলছাত্র, ১০ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া সায়েম (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ প্রায় ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এ মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার নতুন বাস্তপুর গ্রামের শামরার মাঠ এলাকার মরাগাং বিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খুলনা থেকে আসা ডুবুরি দল দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানের পর রাত ৮টার দিকে বিলের পানির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত সায়েম দামুড়হুদা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি নতুন বাস্তপুর গ্রামের মো. শরিফুল ইসলামের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে সায়েম তার চাচার সঙ্গে মরাগাং বিলে মাছ ধরতে যান। পরে দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ছোট চাচা জাকির হোসেনের সঙ্গে ঠেলা জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় মাঠ থেকে নেমে আসা প্রবল পানির স্রোতে তিনি জালসহ পানিতে ভেসে গিয়ে তলিয়ে যান।

ঘটনাটি বুঝতে পেরে তার চাচা ও স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার চেষ্টা শুরু করেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।

সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। পরে উন্নত উদ্ধার সরঞ্জামসহ খুলনা থেকে একটি বিশেষ ডুবুরি দল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দেয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী টানা অভিযানের পর শুক্রবার রাত ৮টার দিকে মরাগাং বিল থেকে সায়েমের নিথর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন বলেন, “ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শেষ পর্যন্ত সায়েমের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

আফজালুল হক/এসএএস