কুড়িগ্রামের রৌমারীতে প্রবল বৃষ্টির কারণে সেতুর দুই প্রান্তের সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী এলাকায় খালের উপর নিমিত ২০২২-২৩ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডির) বাস্তবায়নে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণের দায়িত্ব পায় জামালপুরের এমইএম এন্টারপ্রাইজ।
তবে সেতুর মূল কাঠামোর কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট এবং দুই প্রান্তে গাইডওয়াল নির্মাণ না করায় ভারী বৃষ্টিতে পানির প্রবল স্রোতে ৯৬ মিটার দীর্ঘ সেতুর দুই প্রান্তের সংযোগ সড়কের বড় অংশ ধসে যায়। এতে সড়কের পাশে গভীর গর্তের সৃষ্টি হওয়ার ফলে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন এবং প্রায় ৫ হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম (৫৫) বলেন, অতি বৃষ্টি কারণে সেতুর দুই পাশে রাস্তার মাটি সরে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রকৌশল (এলজিইডি) বিভাগকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্কুল শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম জানায়, প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয় এই রাস্তা দিয়ে। রাস্তাটি ভেঙে পরায় আমাদের ভয় লাগে। কষ্ট করে স্কুলে যেতে হয়।
অটোরিকশাচালক আমিনুল ইসলাম (৫০) বলেন, রাস্তাটি ভাঙায় রিকশা নিয়ে যাওয়া যায় না, যদি যাই তাহলে অনেক কষ্ট করে যেতে হয়। ভাড়াও ঠিক মতো হয় না। যাত্রী ওঠে না। ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছি।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৌরভ কুমার সাহা জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সেতুটি পরিদর্শন করেছেন। খুব দ্রুত সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট করে যান চলাচলের উপযোগী করা হবে।
মমিনুল ইসলাম বাবু/এসএইচএ
