সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে ২০১৫ সালের একটি হত্যা মামলায় ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অনাথ মিত্রের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যশোরের পিকনিক কর্নারের সামনে শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলায় লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাটি ২০২৪ সালে আদালতের নির্দেশে সাতক্ষীরা সদর থানায় এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত হয়। এর জিআর নম্বর ৪০৩/২৪।
এর আগে ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর বিশেষ ক্ষমতা আইন, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও একাধিক হত্যা-সংক্রান্ত মামলায় ধারাবাহিকভাবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
লায়লা পারভীন সেঁজুতির আইনজীবী অ্যাডভোকেট আল মাহামুদ পলাশ জানান, বিভিন্ন মামলায় উচ্চ আদালত থেকে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভ করলেও প্রতিবারই নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সর্বশেষ ৯ জুলাই ২০২৬ জিআর ৪০২/২৪ মামলায় জামিন পাওয়ার পরও সোমবার তাকে জিআর ৪০৩/২৪ হত্যা মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলার বাদী ইমদাদুল হকের অভিযোগ, তার ভাই শহিদুল ইসলামকে ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যশোরের পিকনিক কর্নারের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। সে সময় পুলিশ মামলা নেয়নি এবং ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ২০২৪ সালে মামলাটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
ইব্রাহিম খলিল/আরএআর
