উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর দুটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। একইসঙ্গে কুশিয়ারা নদীর আরও একটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা স্পর্শ করায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা শঙ্কা বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পানি সমতল পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট স্টেশনে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৭৬ মিটার, যা বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে। কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে পানির উচ্চতা ৯ দশমিক ৮৩ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া অমলশীদ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানির উচ্চতা ১৫ দশমিক ৪০ মিটার, যা বিপৎসীমার সমান রয়েছে।
সুরমা নদীর সিলেট স্টেশন, কুশিয়ারা নদীর শেওলা ও শেরপুর, সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট এবং পিয়াইন নদীর জাফলং স্টেশনে পানির উচ্চতা এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তবে উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় এসব পয়েন্টেও পানি বাড়ার প্রবণতা রয়েছে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কানাইঘাটে ২০ মিলিমিটার, সিলেটে ১৩ মিলিমিটার এবং শেওলায় ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাস ঢাকা পোস্টকে বলেন, উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় আমাদের দেশের নদ-নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। আসামের পানি গড়িয়ে বাংলাদেশে নামছে, তাই এই অবস্থা। তারপরও আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাসুদ আহমদ রনি/এএমকে
