পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)–এর আওতাধীন পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং (জিটুজি) প্রকল্প-এর নির্মাণকাজের স্বার্থে রংপুর-কুড়িগ্রাম, রংপুর-লালমনিরহাট ও রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়া হবে। এ সময় নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)-এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় আংশিক লোডশেডিং হতে পারে।
শনিবার (২৫ জুলাই) প্রকল্প পরিচালক (প্রধান প্রকৌশলী) মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি সীমিত পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার (২৬ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেসকোর কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম।
পত্রে বলা হয়, রংপুর ২৩০/১৩২ কেভি জিআইএস গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণকাজ নিরাপদ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আগামীকাল সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত (১৫ ঘণ্টা) রংপুর-লালমনিরহাট ১৩২ কেভি এবং রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সার্কিট-১ সঞ্চালন লাইন শাটডাউনে থাকবে।
এছাড়া ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনও শাটডাউনে থাকবে।
এ কারণে নেসকোর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারগুলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় আংশিক লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।
এবিষয়ে নেসকোর কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজের জন্য এক সপ্তাহ জেলায় লোডশেডিং হতে পারে। নেসকো এবং পল্লী বিদ্যুৎ উভয় পর্যায়ের গ্রাহকরা এর আওতায় পড়বেন। ৫ আগস্টের পর সঞ্চালন স্বাভাবিক হবে।
মমিনুল ইসলাম বাবু/এসএইচএ
