বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০ কোটি মানুষের দেশে সবকিছু সরকারের ওপর ছেড়ে দিলে কি সম্ভব হবে? প্রত্যেকটা মানুষকে সচেতন হতে হবে, তাকে নিজেকে পরিবর্তন করে আনতে হবে। নিজেকে নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমি যদি নাগরিক না হই, নিজের দায়িত্ব পালন না করি আর ময়লাটা যেখানে-সেখানে ফেলি তাহলে পরিবর্তন হবে। এগুলো আমাদের পরিবর্তন আনা দরকার।
তিনি বলেন, সব কিছু করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করছে। নারী-শিশুর ব্যাপারটা আরও বেশি আন্তরিকতার সঙ্গে করার চেষ্টা করছে। আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত করা হয়েছে।
সোমবার ( ২৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
মাদক প্রসঙ্গে টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, মাদককে বন্ধ করার জন্য স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং জাতীয়ভাবে একটা আইন তৈরি করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া হবে। সুতরাং এটা সামগ্রিক একটা ব্যাপার। এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যাপার নয়।
চীনের রাষ্ট্রদূতের ঠাকুরগাঁও সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত মাসে চীনের রাষ্ট্রদূত ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছিলেন। শিক্ষা ও ব্যবস্যা-বাণিজ্য নিয়ে কথা হয়েছে। আপনারা জেনে আন্দদিত হবেন ঠাকুরগাঁওয়ের ১০ জন বাচ্চা আর পাঁচজন শিক্ষক গতকাল চীনের পথে রওনা হয়ে গেছে। তারা ১০ দিন সেখানে ভ্রমণ করবে।
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল প্রসঙ্গে চিকিৎসকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে যে পরিমাণ চিকিৎসক প্রয়োজন তার অর্ধেকই নাই। নার্স নাই। এখানে গরু-ছাগল ঘুরাঘুরি করে এটাকে আটকানো উচিত। তবে তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে আনসার নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে কথা হয়েছে। শিগগিরই ৩০ জন আনসার পেয়ে যাবে। এখানে যে মর্গ রয়েছে সেটাও আধুনিক করার চেষ্টা করছি। আমাদের খুব ইচ্ছা আছে এখানে যেন আধুনিক হাসপাতাল হয়। আমাদের এখানে আইসিইউ নাই। আমাদের অনেক যন্ত্রপাতি নাই। সিটি স্ক্যান করার ব্যবস্থা নাই। এই সমস্যাগুলো সমাধান করার ব্যবস্থা করছি খুব দ্রুতই। স্বাস্থ্যমন্ত্রীকেও আমরা এখানে আনতে চাই।
মেডিকেল কলেজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খুব দ্রুতই মেডিকেল কলেজের কাজ এগিয়ে চলছে। পুরাতন হাসপাতালে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরু হবে।
রেদওয়ান মিলন/আরএআর
