মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে দেশে নানা আন্দোলন-সংগ্রাম সংঘটিত হয়েছে। এমনকি ২০২৪ সালের রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানও হয়েছে। এসব আন্দোলন-সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধের মূল আদর্শ ও চেতনার ধারাবাহিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ফুলহার এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত একটি সম্মুখসমরের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণ, ইতিহাস নথিভুক্তকরণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্মৃতিস্তম্ভ বা স্মারক স্থাপনা নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইশরাক হোসেন বলেন, সিরাজদিখান উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরের এমন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে। এর মধ্যে একটি স্থান আজ পরিদর্শন করা হয়েছে। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এসব স্থানের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস ও তথ্য সংগ্রহ করে তা নথিভুক্ত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।
এ সময় সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূম্পা ঘোষ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান, সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দীনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন মধুপুর জামিয়া হালিমিয়া মাদরাসায় গিয়ে পীর সাহেব আব্দুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি সেখানে আসরের নামাজ আদায় করেন।
ব. ম শামীম/এসএইচএ
