গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পর্নোগ্রাফি তৈরির অভিযোগে মামুনী আক্তার (২৪) ও রেজেনা খাতুন (২৮) নামের দুই নারীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তারা মোবাইলে পর্নো ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিতেন। গ্রেপ্তারের সময় পর্নোগ্রাফি তৈরির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
শনিবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন। এদিন বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযুক্ত মামুনী আক্তার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশিদুল ইসলাম ওরফে রাশিদুলের মেয়ে এবং রেজেনা খাতুন সাদুল্লাপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী।
কারাগারে যাওয়া অপর দুজন হলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অভিরামপুর হাজিপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে রাকিবুল হাসান রাকিব (৩০) এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মামুন অর রশিদ (৩০)।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার হীরকপাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে এ ধরনের অসামাজিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার দিনগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাসায় অভিযান চালায়। এসময় ভিডিও ধারণের বিভিন্ন সরঞ্জামসহ দুই নারী ও দুই পুরুষসহ চারজনকে হাতেনাতে আটক করে। এতে একজন পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ একজন পলাতকসহ ৫ জনের নামে গোবিন্দগঞ্জ থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার বিকেলে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ঢাকা পোস্টকে বলেন, আসামিরা দীর্ঘদিন থেকে পর্নোগ্রাফি করে তা নেটে ছেড়ে দিয়ে বাণিজ্য করে আসছিলেন। আজ হাতেনাতে ধরা দুই নারীসহ চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক আসামিসহ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মাসুম বিল্লাহ/গাইবান্ধা
