বাংলাদেশ রেলওয়ের খালাসী পদে আদালতের রায় বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপ্রক্রিয়া চলছে। এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২ আগস্ট) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ২০১০ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৮৬৫টি খালাসী পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ওই নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালে। বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যে ২০১৯ সালে ফলাফল প্রকাশিত হলেও নানা কারণে পোষ্য কোটায় নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত রাখা হয়।
তিনি বলেন, পরে পোষ্য কোটায় নির্বাচিত প্রার্থীরা আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের নির্দেশনার পর গত ৮ জুলাই নিয়োগ কমিটি ৬৬ জনকে নিয়োগপত্র প্রদান করেছে। বাকি যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
মনিরুজ্জামান মনিরের অভিযোগ, আদালতের রায়ের ভিত্তিতে চলমান নিয়োগপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি নিয়োগ সিন্ডিকেট মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, আদালতের রায়ে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, যোগ্য আবেদনকারীদের জন্য পোষ্য কোটা সংরক্ষণ করে নিয়োগপত্র দিতে হবে, যদি তারা অন্য কোনো বৈধ কারণে অযোগ্য না হন। আদালতের এ নির্দেশনার মাধ্যমে পোষ্য কোটা সংরক্ষণ, যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ এবং কেবল বৈধ কারণে অযোগ্য হলে নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন বাপ্পী, সদস্য সঞ্জয় কুমার ও জামাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম শাখার প্রচার সম্পাদক মো. শাকিলসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/এমটিআই
