পটুয়াখালীর যৌনপল্লীতে এসে রাসেল (৪৫) ওরফে কালা রাসেল নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় পটুয়াখালী শহরের সদর রোডসংলগ্ন যৌনপল্লি এলাকার মনু মিয়ার বাড়িতে নাজমা নামে পরিচিত এক নারীর কক্ষ থেকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাসেলের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বাদুরা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৪টার দিকে কালা রাসেল যৌনপল্লীর মনু মিয়ার বাড়িতে নাজমার কক্ষে প্রবেশ করেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে কক্ষের ভেতরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে মৃত অবস্থায় পায়। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যৌনকর্মী নারী বলেন, “আমাকে পাশের ঘরের একজনে কল দিয়া জানাইছে- বান্ধবী একটা লোক আসছে, নাজমার ঘরে কাম করার পর নাকি লোকটা নাকি অসুস্থ্য হইয়া পড়ছে। গামছা পরা অবস্থায় গোসল করার আগ মুহুর্তে দুইটা ঢেকুর দিয়া অচেতন হইয়া পড়ছে। আমি এটা শুনে পুলিশ ফাঁড়িতে জানাইছি, তারপর পুলিশ আসছে।”
স্থানীয়দের ধারনা, অতিরিক্ত যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবনের কারনে ওই যুবকের মৃত্যু হতে পারে।
পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”
সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এমটিআই
