বিজ্ঞাপন

রাজশাহীর সব মায়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে : ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহীর সব মায়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ১৭ বছর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেছেন। তিনি প্রতিনিয়ত একটার পর একটা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজশাহীর সব মায়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। রাজশাহী জেলার সবাই কৃষক কার্ড পাবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর আলুপট্টিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজশাহীতে অবশ্যই এয়ারপোর্টকে বড় করে কার্গো এয়ারপোর্ট করা হবে। চারটা ইপিজেড করা হবে। রাজশাহীর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অসমাপ্ত কাজগুলো করা হবে। আরেকটা জেলা হাসপাতাল ও ডেন্টাল কলেজ করা হবে। শিল্প হাসপাতাল চালু করা হবে। রাজশাহী থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত চার লেন সড়ক হবে।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার বিদায়ের জন্য আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছর আগেই বলেছিলেন যে রাজপথের আন্দোলনের মধ্যেই হাসিনার বিদায় হবে। আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে এই দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে দিয়ে গেছেন। প্রিয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমান যিনি বলে গেছেন, প্রথম বাংলাদেশ শেষ বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে সেই দেশ, যে তার মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে। হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে শহীদ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। ১৭ বছরের নেতৃত্ব তারেক রহমান সাহেবের ধারাবাহিকতায় আমাদের সন্তানেরা এই খুনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা, তার দোষকদের বিদায়ের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয় অর্জন করেছিল।

সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহিন শওকত। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর রশিদ। সমাবেশে সঞ্চালনা করেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। সমাবেশে উপস্থিত হয়ে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন- শহীদ সাকিব আনজুমের বাবা আইনুল হক এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধারা।

সমাবেশে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা প্রমুখ।

শাহিনুল আশিক/আরকে

বিজ্ঞাপন