বিজ্ঞাপন

সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জনের পরিচয় মিলেছে

সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জনের পরিচয় মিলেছে

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারজনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া নিহতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার মারু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন (৪৬), সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকার বাসিন্দা সপ্তম রায় প্রিতম (২২), সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বাসিন্দা জাইফা আক্তার (৪) এবং সংগীতশিল্পী পেহেলি ভৈরবী (২৬)।

নিহত আবুল হোসেনের চাচাতো ভাই সিরাজুল ইসলাম বলেন,আমার চাচাতো ভাই আবুল হোসেন ইউনিক পরিবহনে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেই আমরা মৃত্যুর খবর জানতে পারি। প্রতিনিয়ত মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় স্বজন হারাচ্ছে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। যাতে আর কোনো পরিবার এভাবে স্বজন না হারায়।

নিহত সপ্তম রায় প্রিতমের স্বজন হৈমন্তী রায় বলেন, ফোনে জানতে পারি আমার খালাতো ভাই সপ্তম আর বেঁচে নেই। সে ঢাকায় যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়। সুনামগঞ্জে আমাদের গ্রামের বাড়ি হলেও সে সিলেট শহরের একটি দোকানে চাকরি করত। এমন মৃত্যু আমরা কখনোই মেনে নিতে পারছি না।

পুলিশ জানায়, সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহন ও বিপরীত দিক থেকে আসা বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে আটজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়। বাকি নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে।

বিষয়টি নিয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর রাশেদ মুনির বলেন, হাসপাতালে মোট ১৬ জনকে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিতম নামে আরও একজন মারা যান। বর্তমানে ১৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মাসুদ আহমদ রনি/এসএইচএ

বিজ্ঞাপন