বিজ্ঞাপন

সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষককে লাভবান করার উদ্যোগ : আইনমন্ত্রী

সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষককে লাভবান করার উদ্যোগ : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সারাদেশের সব ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যেন লাভবান হন, সেই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পাট ও পেঁয়াজের বাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আপনাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ অভিযোগ করেছিলেন, বাজারে যখন কোনো কৃষক পেঁয়াজ, পাট বা ধান বিক্রি করতে আনছেন, তখন ক্রেতা এক মণে ২ বা ৩ কেজি করে বেশি নিচ্ছেন। এর বাইরে হিজড়া ও বাজারের ঝাড়ুদারদের তোলা-তুলিসহ সব মিলিয়ে এক মণে ৫ কেজি করে বেশি দিতে হচ্ছে। অর্থাৎ কৃষক তার উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে হলে এক মণের জায়গায় ৪৫ কেজি আনতে হচ্ছে। এটা কৃষকের জন্য এক প্রকার যন্ত্রণা।’

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি যখন আমার কানে আসে, আমি সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে বলেছি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুইজনকে জরিমানা এবং একজনকে জেল দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে শৈলকুপা বণিক সমিতির নেতারা বসে আমাদের নিশ্চিত করেছেন, এ ধরনের কাজ আর হবে না। আমার জানা মতে, তারা বলার পর এ ধরনের কাজ আর ঘটেনি।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘তবে আমার আত্মতুষ্টির জন্য আমি সরাসরি বাজারে এসেছি, কোনো বিক্রেতা কোনো অভিযোগ করেন কি না, সেটা দেখার জন্য। তবে কেউ কেউ বলছেন, যারা এটি করে থাকেন, তাদের থেকে কেউ কেউ পণ্য কিনবে না বলে সিন্ডিকেট তৈরি করেছিলেন। আমরা এক সপ্তাহ দেখব, দুই সপ্তাহ দেখব। তা না হলে বাজারে বিকল্প ব্যবসায়ী তৈরি হবে। যারা পণ্য কিনবেন না বলে সিন্ডিকেট তৈরি করবেন, তারা আইনগতভাবে দণ্ডনীয় হবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সেক্টরের সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষক যাতে লাভবান হন, সেদিকে এগিয়ে যাব। আর যারা মজুত করেন, তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং যারা মজুত করবেন, তারা হিসাব-নিকাশ করে করবেন।’

এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরকে

বিজ্ঞাপন