দেশের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় গৃহীত ৯৬টি বৃহৎ প্রকল্পের মধ্যে গাইবান্ধা জেলায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শনিবার (৮ আগস্ট) নৌপথে গাইবান্ধার বন্যা ও নদীভাঙন কবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে ফুলছড়িতে আয়োজিত এক সমাবেশে এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী। এসময় তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
এর আগে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রী নৌপথে সুন্দরগঞ্জের শ্রীপুর, লাল-চামার, সদর উপজেলার চিথুলিয়া-দিঘড় এবং ফুলছড়ির জিগাবাড়ী ও উড়িয়া ইউনিয়নের নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় স্থানীয়দের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন তিনি।
বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৯৬টি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে গাইবান্ধায় দুটি প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জানান, তাৎক্ষণিকভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধে ৫৮টি জরুরি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসময় নদী ভাঙন রোধে বিগত আ.লীগ সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকার এ অঞ্চলে নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং নদীভাঙন প্রতিরোধের নামে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। এর ফলে এ অঞ্চলের মানুষের বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা আজ হুমকির মুখে পড়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি-সাঘাটা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্রোহ কুমার কুণ্ড, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল, জেলা-উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মাসুম বিল্লাহ/এমএমবি
