কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মহেশখালীর সমন্বিত মেগাপ্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়িতে এসে পৌঁছালে হেলিপ্যাডে অভ্যর্থনা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেলিকপ্টার থেকে নামেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
এ সময় তিনি মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অবহিত হন। এ ছাড়া মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরসহ চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতিও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) সভায় যোগ দেন।
প্রধানমন্ত্রীকে একনজরে দেখতে মাতারবাড়ি এলাকায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মীসহ স্থানীয় অসংখ্য মানুষ ভিড় জমান।
মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বৃহত্তর মহেশখালী-কুতুবদিয়া অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তির। বিএনপি জনগণের সরকার, জনগণের আকাঙ্খা বাস্তবায়নে তারেক রহমান দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে মাতারবাড়ি এলাকায় বলবৎ রয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্ধারিত এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন।
মহেশখালীর কর্মসূচি শেষে হেলিকপ্টারে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যাবেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
ইফতিয়াজ নুর নিশান/এএমকে
