বিজ্ঞাপন

পাঁচ হত্যা মামলায় আ.লীগ নেতা নজরুল ইসলাম কারাগারে

পাঁচ হত্যা মামলায় আ.লীগ নেতা নজরুল ইসলাম কারাগারে

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামকে পাঁচটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১০ আগস্ট) তাকে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাশ মন্ডলের আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর থানায় দায়ের করা পাঁচটি হত্যা মামলায় নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ক্রসফায়ারের নামে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হত্যার ঘটনায় হুকুম ও মদদ দেওয়ার অভিযোগে এসব মামলায় নজরুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, পাঁচটি মামলার মধ্যে বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার আদালতে নজরুল ইসলামকে হাজির করার পর মামলাগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত সূত্র আরও জানায়, এসব মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আদালত এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, আদালত ভবন থেকে নজরুল ইসলামকে বের করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হচ্ছে। এ সময় তার ছেলে রাজু আহমেদসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজু আহমেদ বলেন, ‘আমার বাবাকে রাজনৈতিক মামলায় আটক করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। আমরা রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচার আশা করছি।’

রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. মইন উদ্দিন। আসামিপক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, সাইদুর রহমান সাইদ ও আল মাহমুদ পলাশ।

এর আগে গত ২৭ জুলাই রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ওই দিন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, দুপুর ১২টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছিল ডিবি।

নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।

ইব্রাহিম খলিল/এসএইচএ