বিজ্ঞাপন

১২ শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারলেন না এক পরীক্ষার্থীকে

১২ শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারলেন না এক পরীক্ষার্থীকে

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দাসনাইপাড়া মহিলা দাখিল মাদরাসা থেকে মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই শিক্ষার্থীকে ১২ জন শিক্ষক মিলে পড়ালেও পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি সে। তাতে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১০ আগস্ট) চলতি বছরের এসএসসি-দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে মাদরাসার একমাত্র শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের দাসনাইপাড়া ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসা থেকে চলতি বছর দুইজন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করে। তাদের মধ্যে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় একজন। অপরজন অজ্ঞাত কারণে পরীক্ষা দেয়নি। ওই মাদরাসায় ১২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

অপরদিকে একই উপজেলার শ্যামপুর দাখিল মাদরাসায় ১৫ জন শিক্ষক মিলেও ১০ জন পরীক্ষার্থীর একজনকেও পাস করাতে পারেননি। ফলে এই দুটি মাদরাসার ফলাফল জানার পর ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে।

বেশ কয়েকজন অভিভাবক জানান, পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক থাকার পরও শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক। বিষয়টি তদন্ত করে পাঠদানের মান উন্নয়ন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুইটির এমপিও এবং কর্মরত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এ বিষয়ে দাসনাইপাড়া ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. একরামুল হক বলেন, মাদরাসা থেকে দুই শিক্ষার্থীর দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করা হয়েছিল। তবে পরীক্ষায় অংশ নেয় একজন। সেও ফেল করেছে।

নাঙ্গলকোট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইউনুস ঢাকা পোস্টকে বলেন, নাঙ্গলকোট উপজেলায় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটির প্রধানদের শোকজ করা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরিফ আজগর/এসএইচএ